
ঢাকা শহরের অতি চেনা দৃশ্য হচ্ছে বাজারে বা রাস্তায় টোকাই বা পথ শিশুদের বিচরন।পরণের ছেড়া প্যান্ট ছাড়া সমস্ত শরীরই থাকে উদাম।কখনও হাতে থাকে বস্তা সেই বস্তা বা থলেতে থাকে রাজ্যের কুড়িয়ে পাওয়া আবর্জনা।দুঃখজনক হলেও সত্যি এরকম দৃশ্য আমাদের এই শহরের অংশ হয়ে গেছে ।এই সকল শিশুকে কোন রকম পূর্নবাসন বা ঐ ধরনের কোন উদ্যোগের আওতায় আনার কোন প্রচেষ্টাও দেখা যাচ্ছেনা খুব একটা।এই সকল শিশুর এইরকম অমানবিক হাল কারো কাম্য হতে পারেনা।কিন্তু এই অকাম্য বিষয়টি আমাদের মাঝে বিরাজ করছে অনায়াসে।
যতটুকু মনে হয় এই সকল শিশুর জন্ম নিতান্ত দরিদ্র পরিবারে মা বাবাও এরকম অমানবিক অবস্হার মধ্যে আছে।তাই এসকল শিশুরা অনাদর আর অবহেলায় ঠাই নিয়েছে রাস্তায় আর পথে ঘাটে।এদের অনেককে আবার ভিক্ষা করতেও দেখা যায়।বলাযায়,এরা বড় হচ্ছে অসুস্হ্য পরিবেশের মাঝে অসুস্হ্য হয়ে।এরা একদিন বড় হয়ে যেসকল কার্যকলাপে লিপ্ত হবে তা কি সুস্হ্য হবে?বোধহয়না।
আমাদের দেশে এই সকল অনাদরে বেড়ে উঠা অপুষ্ট শিশুদের জন্য অবিলম্বে পদক্ষেপ গ্রহন করা প্রয়োজন।তা না হলে এই সকল অমানবিক আর অসুস্হ্য পরিবেশে বেড়ে উঠা শিশুরা বড় হয়ে তৈরী করবে অসুস্হ্য সমাজ আর পরিবেশের।যা আমাদের কারুরই কাম্য নয়।সামর্থ্যবানরা সবাই মিলে চেষ্টা করলে বোধহয় কিছু করা সম্ভব এই সকল টোকাই বা পথ শিশুদের জন্য।
যতটুকু মনে হয় এই সকল শিশুর জন্ম নিতান্ত দরিদ্র পরিবারে মা বাবাও এরকম অমানবিক অবস্হার মধ্যে আছে।তাই এসকল শিশুরা অনাদর আর অবহেলায় ঠাই নিয়েছে রাস্তায় আর পথে ঘাটে।এদের অনেককে আবার ভিক্ষা করতেও দেখা যায়।বলাযায়,এরা বড় হচ্ছে অসুস্হ্য পরিবেশের মাঝে অসুস্হ্য হয়ে।এরা একদিন বড় হয়ে যেসকল কার্যকলাপে লিপ্ত হবে তা কি সুস্হ্য হবে?বোধহয়না।
আমাদের দেশে এই সকল অনাদরে বেড়ে উঠা অপুষ্ট শিশুদের জন্য অবিলম্বে পদক্ষেপ গ্রহন করা প্রয়োজন।তা না হলে এই সকল অমানবিক আর অসুস্হ্য পরিবেশে বেড়ে উঠা শিশুরা বড় হয়ে তৈরী করবে অসুস্হ্য সমাজ আর পরিবেশের।যা আমাদের কারুরই কাম্য নয়।সামর্থ্যবানরা সবাই মিলে চেষ্টা করলে বোধহয় কিছু করা সম্ভব এই সকল টোকাই বা পথ শিশুদের জন্য।
0 comments:
Post a Comment